বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd অক্টোবর ২০১৮

সচিব

 

মোঃ মহিবুল হক

 

জনাব মোঃ মহিবুল হক গত ১৬ এপ্রিল ২০১৮ তারিখ সচিব হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। তিনি বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার লখপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। বাবা ছিলেন স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং মা ছিলেন গৃহিনী। জনাব মহিবুল হক খুলনা সরকারী ল্যাবরেটরী স্কুলের আবাসিক ছাত্র হিসেবে বাল্য জীবন অতিবাহিত করেন। সেখান থেকে তিনি মাধ্যমিক ও খুলনা সরকারী বিএল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে বি.এ (অনার্স) ও এম.এ সম্পন্ন করেন।

 

তিনি ১৯৮৫ সালের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৮৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে সহকারী কমিশনার পদে বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহী এর কার্যালয়ে যোগদান করেন। অত:পর বগুড়া, লালমনিরহাট, বরিশাল ও যশোরে সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা এবং যশোর জেলার আমলী আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডু উপজেলায় দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশী সময় অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে কাজ করে সাধারণ মানুষের অত্যন্ত কাছের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পান। প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হয়ে প্রাথমিক শিক্ষাসহ দেশের সর্বস্তরে শিক্ষার বিস্তারে বিভিন্ন ভূমিকায় কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ২০১০ সালে প্রাথমিক শিক্ষা বহির্ভুত শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে ভূষিত করে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। শিক্ষার প্রতি প্রচন্ড অনুরাগের বহি:প্রকাশ হিসেবে যশোরের জেলা প্রশাসক থাকাকালে তিনি যশোর কালেক্টরেট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এ স্কুল যশোরের অন্যতম প্রধান স্কুল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। যশোর জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র কালেক্টরেট ভবনের সম্মুখে তাঁরই উদ্যোগে স্থাপন করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃষ্টিনন্দন ম্যুরাল। সাধারণ মানুষের কল্যাণে নানামুখী কাজ করার জন্য ২০১১ সালে মাদার তেরেসা রিসার্চ কাউন্সিল কর্তৃক তাঁকে ‌'মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক ২০১১' প্রদান করা হয়।

                       

তিনি যশোরের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রশাসনকে গণমানুষের দোড়গোড়ায় নিয়ে যাওয়ার ব্যতিক্রমী কার্যক্রম গ্রহণ করে সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এরপর সরকার তাঁকে ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেন। সেখানে তিনি প্রায় তিন বছর সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির পর তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি উইং এ পদায়ন করা হয় এবং পরে সেখানেই অতিরিক্ত সচিব পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। অত্যন্ত কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে প্রায় সাড়ে তিন বছর দায়িত্ব পালন করার পর তাঁকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করেন।

 

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে যোগদান করার পর থেকেই তিনি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিমান, সিভিল এভিয়েশন, পর্যটন ও মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতগুলোর সার্বিক কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, গতিশীল, জবাবদিহিতামূলক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

জনাব মহিবুল হক ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। তাঁর স্ত্রী সৈয়দা আফরোজা বেগম ১৯৮৫ ব্যাচে'র প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তাঁদের একমাত্র কন্যা বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত।


Share with :

Facebook Facebook